২০২১ সালের শুরুর দিকে, যখন বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং বলতে মানুষ বুঝত অনির্ভরযোগ্য বিদেশি সাইট আর ভেঙে-পড়া অ্যাপ — ঠিক সেই সময়ে jya9-এর জন্ম। আমাদের প্রতিষ্ঠাতা দল বিশ্বাস করতেন যে বাংলাদেশের মানুষ একটা ভালো অভিজ্ঞতার যোগ্য। এমন একটা প্ল্যাটফর্ম যেখানে বাংলায় কথা বলা যাবে, বিকাশে টাকা তোলা যাবে এবং ক্রিকেট ম্যাচের সময় পেজ হ্যাং করবে না।

শুরুটা ছিল ছোট — একটি ছোট দল, সীমিত গেম, কিন্তু একটি বড় স্বপ্ন। প্রথম বছরেই jya9 বুঝতে পারল যে বাংলাদেশের মানুষের কাছে ক্রিকেট শুধু খেলা নয়, এটা একটা আবেগ। সেই আবেগকে সম্মান করেই আমরা আমাদের প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছি।

কেন jya9 আলাদা?

বাজারে অনেক বেটিং সাইট আছে, কিন্তু jya9 কয়েকটি কারণে সত্যিই আলাদা। প্রথমত, আমরা বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের কথা মাথায় রেখে প্রতিটি ফিচার ডিজাইন করেছি। ধীর ইন্টারনেটেও অ্যাপ চলে, বিকাশ-নগদে তাৎক্ষণিক পেমেন্ট হয়, এবং সব কিছু সহজ বাংলায় লেখা।

দ্বিতীয়ত, আমাদের গ্রাহক সেবা দল সম্পূর্ণ বাংলায় কাজ করে। রাত ৩টায়ও কোনো সমস্যা হলে বাংলায় কথা বলে সমাধান পাওয়া যায় — ইংরেজিতে টেমপ্লেট উত্তর নয়।

"আমাদের লক্ষ্য কখনো শুধু সবচেয়ে বড় হওয়া ছিল না। আমরা চেয়েছিলাম সবচেয়ে বিশ্বস্ত হতে — এবং সেই বিশ্বাস আমাদের খেলোয়াড়রাই তৈরি করে দিয়েছেন।"

বাংলাদেশের বাস্তবতা বুঝি আমরা

ঢাকার যানজটে বসে রিকশায় ফোনে ম্যাচ দেখা, চট্টগ্রামের চায়ের দোকানে বন্ধুদের সাথে স্কোর নিয়ে তর্ক করা, কিংবা সিলেটে চা-বাগানের পাশে বসে T20 ম্যাচে উত্তেজনা অনুভব করা — এই জীবনযাত্রাটা jya9-এর দল চেনে। তাই আমাদের প্ল্যাটফর্ম ডিজাইন করা হয়েছে এই বাস্তবতাকে মাথায় রেখে।

মোবাইল ডেটা সাশ্রয়ী, ইন্টারফেস সহজ, এবং পেমেন্ট পদ্ধতি পরিচিত — এই তিনটি বিষয় jya9-এর ভিত্তি। এছাড়া আমরা সবসময় নিশ্চিত করি যে আমাদের অডস বাজারের মধ্যে সেরা এবং গেমগুলো সার্টিফাইড, ন্যায্য।

দায়িত্বশীলতা আমাদের অগ্রাধিকার

jya9 বিশ্বাস করে যে আনন্দদায়ক গেমিং তখনই সম্ভব যখন সেটা দায়িত্বশীলভাবে উপভোগ করা হয়। তাই আমরা ডিপোজিট লিমিট, সেলফ-এক্সক্লুশন এবং সময়-সীমার মতো সুরক্ষামূলক সরঞ্জাম সরবরাহ করি। আমাদের প্ল্যাটফর্ম শুধুমাত্র ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সীদের জন্য।

প্রতিটি খেলোয়াড় আমাদের কাছে একজন মানুষ, শুধু একটি অ্যাকাউন্ট নম্বর নয়। তাই তাদের সুরক্ষা ও সুস্থতা নিশ্চিত করা jya9-এর নৈতিক দায়িত্ব।